Where Gazette Speaks, World Listens.

Header
collapse
...
Home / কূটনীতি / ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

12-Jun-2026  The Gazette Desk  8 views
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগসহ পারস্পরিক সংযোগ (রোড কানেক্টিভিটি) আরও বৃদ্ধি করার মাধ্যমে চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে দুই দেশ। চীন সফররত বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে শুক্রবার (১২ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির এমপি, আখতার হোসেন এমপি, খালেদ মাহমুদ শ্যামল এমপি, সুলতানা জেসমিন এমপি এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম।

অন্যদিকে, চীনের পক্ষে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনার নেতৃত্ব দেন ইউনান পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান (ইউনান সংসদের স্পিকার) ও কমিউনিস্ট পার্টি অব ইউনান প্রদেশের সাধারণ সম্পাদক মি. ওয়াং নিং। তার সঙ্গে চীনা প্রতিনিধি দলে ছিলেন ইউনান প্রদেশের কমিউনিস্ট পার্টির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য মি. ওয়াং শেনজিং, ইউনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর মি. লিউ ইয়াং, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ইয়ং শাওচেং, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মি. লি বিনজে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মি. লি চাউইয়ে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মি. শি জানবিন।

বৈঠকে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে দুপক্ষই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন এবং এই খাতে চীনের বিনিয়োগ কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট আলোচনা ও জোর দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন অর্থনৈতিক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই অঞ্চলের মধ্যে উন্নত রোড কানেক্টিভিটি বা সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

ভবিষ্যতে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত সফর ও অভিজ্ঞতা আদান-প্রদানের (এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম) বিষয়েও উভয় পক্ষ একমত হয়েছেন। এই বৈঠকের ফলে দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


Share:

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy