Where Gazette Speaks, World Listens.

Header
collapse
...
Home / রাজনীতি / দুর্নীতি ও লুটপাটের বাজেট, দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

দুর্নীতি ও লুটপাটের বাজেট, দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

12-Jun-2026  The Gazette Desk  6 views
দুর্নীতি ও লুটপাটের বাজেট, দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘দুর্নীতি ও লুটপাটের’ আখ্যা দিয়ে একটি বিনিয়োগবান্ধব বাজেট প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, এই বাজেট বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থনৈতিক নীতিকেই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এবং এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পারওয়ার বলেন, ‘এবারের বাজেট ব্যাংক ঋণ এবং বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীল। এমনকি রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত রূপরেখা দিতেও সরকার ব্যর্থ হয়েছে।’

ব্যাংকিং সেক্টরে চলমান অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে বাজেট পাস হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার  বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটে ক্রমান্বয়ে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ ২৭.২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিপরীতে পরিচালন ব্যয় ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে অপরিহার্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি খাত ও তৃণমূলের মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।


Share:

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy